‘বাংলাদেশে ট্রেড ইউনিয়ন কর্মকাণ্ডের বিকাশে আইনী বাধা ও প্রশাসনিক জটিলতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ | ০৫:২৬

বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা ভেতর ও বাহির দুই দিক থেকেই আছে। শ্রমিক স্বার্থবিরোধী আইন প্রণয়ন এবং ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন থেকে পরিচালনা পর্যন্ত সর্বত্র আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টির মাধ্যমে শ্রমিক আন্দোলনকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখার প্রচেষ্টা আজ আর গোপন বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ শ্রম ইনস্টিটিউট (বাশি)-এর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন (টাফ)-এর সভাপতি শাহ আতউল ইসলাম।

‘বাংলাদেশে ট্রেড ইউনিয়ন কর্মকাণ্ডের বিকাশে আইনী বাধা ও প্রশাসনিক জটিলতা’ শীর্ষক আলোচনার সভাপতির ভাষণে তিনি আজ ১ মে ২০১৪, শুক্রবার, বিকালে এ কথা বলেন।

শাহ আতউল ইসলাম বলেন, আইনের মাধ্যমে শ্রমিকদের ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করার এক প্রক্রিয়া জারি আছে। প্রথমে শ্রমিক পরিচয়টিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, যেসব মানুষেরা বেঁচে থাকার জন্য শ্রম বিক্রির ওপরে নির্ভরশীল, তারা সবাই শ্রমিক। এ হিসেবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে হকার, কৃষি মজুর, রিকসাওয়ালা এবং গার্মেন্ট শ্রমিক পর্যন্ত সবাই শ্রমিক। এদের সংগঠিত করাই এক বড় চ্যালেঞ্জ।

সভায় লিখিত প্রবন্ধ পেশ করেন বোর্ডের আরেক সদস্য গোলাম মুর্শেদ। প্রবন্ধের ওপরে আলোচনায় অংশ নেন শ্রমিক সংগঠক প্রিসিলা রাজ ও আইনজীবী জান্নাতুল মরিয়ম তানিয়া।